চাঁপাইনবাবগঞ্জ | মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ info@mohanonda24.com +৮৮ ০১৬৮২ ৫৬ ১০ ২৮, +৮৮ ০১৬১১ ০২ ৯৯ ৩৩
বাংলাদেশে ‘পাঠান’ মুক্তি নিয়ে হিন্দি ছবির আমদানি বিষয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। জানা গেছে, সাফটা চুক্তির আওতায় পাঠান মুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এই উদ্যোগে আগামী ২৭ জানুয়ারি ছবিটি মুক্তি পেতে পারত।

হিন্দি সিনেমা চলতে থাকলে ঢালিউড ধ্বংস হয়ে যাবে : ডিপজল

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশিত: ২৮ জানুয়ারী ২০২৩ ০৭:৪৫

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: ২৮ জানুয়ারী ২০২৩ ০৭:৪৫

ডিপজল (ফাইুল ছবি)

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশে ‘পাঠান’ মুক্তি নিয়ে হিন্দি ছবির আমদানি বিষয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। জানা গেছে, সাফটা চুক্তির আওতায় পাঠান মুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এই উদ্যোগে আগামী ২৭ জানুয়ারি ছবিটি মুক্তি পেতে পারত। তবে ২৭ জানুয়ারি মুক্তি না পেলেও কিছুদিন পরে ছবিটি মুক্তির সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছে। এ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মন্তব্য করছেন বাংলাদেশের ছবির তারকারা। বিষয়টি নিয়ে এবার মুখ খুললেন মুভিলর্ডখ্যাত অভিনেতা- ডিপজল।

হিন্দি সিনেমা আমদানি করলে ঢালিউড ধ্বংসের মুখে পড়বে মন্তব্য করে তিনি গণমাধ্যমে বলেন, ‘একটি চক্র আমাদের চলচ্চিত্রকে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। আমরা দেখেছি, হিন্দি সিনেমা মুক্তি দেওয়ার ফলে নেপালের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি কিভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। দেশটির সমৃদ্ধ সিনেমা হিন্দি সিনেমার কবলে পড়ে বিলীন হয়ে গেছে। আমাদের দেশে যদি একের পর এক হিন্দি সিনেমা চালানো হয়, তাহলে আমাদের চলচ্চিত্রও ধ্বংস হয়ে যাবে। নেপালের ফিল্মের মতো হবে।’

তিনি আরোও বলেন, “বাংলাদেশে হিন্দি ছবি মুক্তি পেলে আমাদের নিজস্ব ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি বলতে কিছুই থাকবে না। আমাদের শিল্প ও সংস্কৃতিতে আঘাত হানবে। যদিও হিন্দি সিনেমা চালিয়ে দর্শকদের সাড়া পাওয়া যায়নি। তারপরও হিন্দি সিনেমা আমদানির পায়তারা আমাদের ফিল্মের ধ্বংস ডেকে আনবে। দর্শক আমাদের দেশের শিল্প ও সংস্কৃতির সিনেমাই দেখতে চায়। ইতোমধ্যে ‘হাওয়া’, ‘পরান’সহ আরও বেশ কিছু সিনেমা দিয়ে আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। সিনেমাগুলো কোটি কোটি টাকা ব্যবসা করেছে। যে সিনেমা হলের সংখ্যা ৪০-৫০ এ নেমে এসেছিল, এখন তা বেড়ে দ্বিগুণ-তিনগুণ হয়েছে। অনেকে এখন সিনেমা নির্মাণ করছেন।”

বিদেশি সিনেমা আমদানির বিষয়ে ডিপজল জানান, “যদি হিন্দি সিনেমা আমদানি ও মুক্তি দেওয়া হয়, তাহলে চলচ্চিত্রকে ঘুরে দাঁড় করানোর জন্য আমরা যারা একের পর এক সিনেমা নির্মাণ করছি, তারা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবো। পুরো ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ধ্বংসের মুখে পড়বে। কাজেই, আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি এবং আমাদের দেশের সিনেমা বাঁচাতে বিদেশি সিনেমা আমদানি বন্ধ করতে হবে। আমি নিজেও হল চালিয়েছি। আমি জানি, দর্শক কি ধরনের সিনেমা দেখতে চায়। তারা আমাদের দেশের গল্প ও শিল্পীদের অভিনয়ের সিনেমা দেখতে চায়।”



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: