চাঁপাইনবাবগঞ্জ | মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ info@mohanonda24.com +৮৮ ০১৬৮২ ৫৬ ১০ ২৮, +৮৮ ০১৬১১ ০২ ৯৯ ৩৩
ইসলামের ইতিহাস বিষয়ক গবেষক ও বিশেষজ্ঞ থেকে জানা যায় ৬২৩ খ্রিস্টাব্দে বিশ্বের মুসলিম প্রথম ঈদ উদযাপন করেন।

ঐতিহ্য আনন্দ ও সংস্কৃতিক সমাহার বয়ে আনে বাঙালির ঈদ উৎসব।

এ.ক/স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশিত: ১০ এপ্রিল ২০২৪ ২০:০৪

এ.ক/স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: ১০ এপ্রিল ২০২৪ ২০:০৪

সংগৃহিত ছবি

বিশ্ব মুসলিম উম্মাহের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদ। ঐতিহ্য আনন্দ ও সংস্কৃতিক সমাহারে ভরে উঠে বাঙালির ঈদ উৎসব। ইসলামের ইতিহাস বিষয়ক গবেষক ও বিশেষজ্ঞ থেকে জানা যায় ৬২৩ খ্রিস্টাব্দে বিশ্বের মুসলিম প্রথম ঈদ উদযাপন করেন।

ইতিহাসবিদদের মতে বর্তমান ঈদ যেন ব্যাপক উৎসব আকার পেয়েছে। ঈদের সামাজিকতা ওই সময় থেকে শুরু হয় এবং যোগ করেন ইসলামের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যয়। আরবী ঈদ শব্দের মানে খুশি আনন্দ ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ মহা উৎসব।

সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য ঈদ পালন ওয়াজিব,এদিকে ঈদের অন্যতম নির্দিষ্ট হচ্ছে দুই রাকাত নামাজ আদায় করা,তাছাড়া ঈদ-উল-ফিতরের ফিতরা প্রদান করা ইসলামের রীতি। মানবসভ্যতার সুদীর্ঘ ইতিহাস সাক্ষ্য দেই পৃথিবীর সকল জাতি সম্প্রদায় কোন না কোন ভাবে আল্লাহর দরবারে নিজের প্রিয় বস্তু উৎসর্গ করে।

বাঙালি মুসলমানদের সর্ববৃহৎ জাতীয় উৎসব ঈদ। বাংলাদেশে বিভিন্ন অঞ্চলে ঈদ উদযাপনের রীতি-নীতির কিছুটা বৈচিত্রময়। ঈদের খাবারও আঞ্চলিকতা হয়ে থাকে,তবে নতুন শেরওয়ানি-পাঞ্জাবি যেন ঈদের আনন্দকে আরো এক ধাপ বাড়িয়ে তুলে।

আধুনিকতার প্রভাবে বাঙালী জাতির ঈদ উদযাপনে বেশ কিছু পরিবর্তণ এসেছে। তাছাড়া,জীবনযাত্রার মান উন্নতি হওয়ায় মানুষের সাচ্ছন্দ্যবোধ ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা থেকে শুরু করে পোশাক পরিচ্ছেদ সহ আধুনিকতার ছোঁয়ায় ঈদের আনন্দকে আরও বর্ণিল সুস্নিগ্ধ করে তোলে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: