ঢাকা বৃহঃস্পতিবার, ৪ঠা মার্চ ২০২১, ২১শে ফাল্গুন ১৪২৭


আমি সত্যিই দুঃখিত: সাকিব


প্রকাশিত:
৩০ অক্টোবর ২০১৯ ০১:৫৩

আপডেট:
৪ মার্চ ২০২১ ১১:৩১

ছবি: সাকিব আল হাসান

খেলা ডেস্ক: ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পাওয়ার তথ্য আইসিসিকে না দেওয়ায় বড় শাস্তি পেয়েছেন সাকিব আল হাসান। ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা দুই বছর নিষিদ্ধ করেছেন তাকে। এরমধ্যে আছে এক বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞা। শাস্তি মেনে নেওয়া সাকিব ভীষণ অনুতপ্ত। দুঃখ প্রকাশ করেছেন আইসিসিতে দেওয়া বিৃবতিতে।

সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি তার শাস্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। নিষেধাজ্ঞার সময়ে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ থাকবেন সাকিব। শাস্তি শেষে তিনি মাঠে ফিরবেন ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর।

আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী আইনের তিনটি ধারা ভেঙেছেন সাকিব। আর শুনানিতে সব মেনেও নিয়েছেন বাঁহাতি অলরাউন্ডার। যে কারণে তার শাস্তিতে এক বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আইসিসি।

নিজের শাস্তির ব্যাপারে সাকিব বলেছেন, ‘ভালোবাসার ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হওয়ায় আমি সত্যিই দুঃখিত। কিন্তু ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পাওয়ার কথা গোপন করার শাস্তি আমি মেনে নিয়েছি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে খেলোয়াড়দের ওপর নির্ভরশীল আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিট (আকসু)। কিন্তু কঠিন পরিস্থিতিতে নিজের দায়িত্ব আমি পালন করতে পারিনি।’

জুয়াড়িদের কাছ থেকে আসা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন সাকিব, কিন্তু ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) কিংবা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) বিষয়টি না জানানোয় বড় শাস্তি পেয়েছেন তিনি।

আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী ধারা অনুযায়ী, জুয়াড়ির কাছ থেকে অনৈতিক কোনও প্রস্তাব পেলে যত দ্রুত সম্ভব আইসিসি বা সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে জানাতে হয়। এ ব্যাপারে প্রতিটি সিরিজ ও টুর্নামেন্টের আগে ক্রিকেটারদের ক্লাস নেওয়া হয়। এরপরও কেউ জুয়াড়িদের প্রস্তাবের কথা না জানালে গুরুতর অপরাধ হিসেবে সেটা গণ্য হবে। শাস্তিও তাই গুরুতর। আইসিসির এই ধারা ভঙ্গের শাস্তি হতে পারে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞা।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: