ঢাকা সোমবার, ১৪ই জুন ২০২১, ১লা আষাঢ় ১৪২৮


জাকাত ও সাদকাতুল ফিতর ইসলামে সর্বাধিক গুরুত্ব


প্রকাশিত:
১১ মে ২০২১ ১৫:০৩

আপডেট:
১৪ জুন ২০২১ ১৬:০২

এম এ করিম চাঁপাইনবাবগঞ্জঃ জাকাত ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক প্রতি বছর সুনির্দিষ্ট সম্পদের একটি অংশ বের করা হয়,এবং এটি নিঃশর্ত দান এবং ইসলামের পঞ্চম স্তরের মুসলমান জাতির ধর্মীয় একটি অাইনি বিধান জাকাত।যা ইসলামী শরিয়াহ ভিক্তিক গরীব দুঃখি অসহায় দারিদ্র সম্বলহীন মানবতার অর্থনৈতিক অধিকার ও তার নিরাপত্তার গ্যারান্টি জাকাত।

ইসলামী শরিয়তে নির্দেশ ও নির্ধারণ অনুযায়ী নিজের মালের একাংশ স্বত্বাধিকার কোন গরীব দুঃখি অসহায় অভাবী মানুষের প্রতি অর্পণ করাই জাকাত।

জাকাত সম্পর্কে বিশিষ্ট অভিধানবেত্তা ইবনে মানযুর লিসানুল অারাবা গ্রন্থে বলেন,জাকাত সম্পদের প্রবিত্রতা,ক্রমবৃদ্ধি, প্রবৃদ্ধি ও প্রশংসা করাই জাকাত।এছাড়াও মুজামুল ওয়াসিত নামক অভিধান প্রনেতা অারাবা গ্রন্থে বলেন,সংশোধন ও তার সম্পদের পরিষ্কার করে তুলাই জাকাত।

এদিকে,অাল-কুরঅানের বিভিন্ন বর্ণনা থেকে বুঝায়ায় যে প্রত্যেক নবীর উম্মতের উপর নামাজের ন্যায় জাকাতের বিধানও চালু ছিল এবং অাল্লাহ তায়ালা জাকাতের বিধান চালু করে অার্তমানবতার প্রতি চরম অনুকম্পা প্রদর্শন করেছেন।

জাকাত বার্ষিক দান এছাড়াও জাকাত ধনবান ব্যক্তিদের প্রতি অর্পিত কর যা অমুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য দারিদ্র মানুষের প্রতি বিতরণ।এদিকে জাকাত কোন ব্যক্তির নিকট ৫২.৫ তোলা রৌপ্য বা৭.৫তোলা স্বর্ণ অথবা উভায় বস্তুর যে কোন একটির অর্থের সমপরিমাণ সম্পদ বর্তমান স্থির থাকে তবে প্ররিবার প্রধান প্রতিবছর ২.৫%হারে এবং বৃষ্টির পানিতে উৎপাদিত ফসলের উশর তথা এক-দশমাংশ ও সেচের পানিতে জমি থেকে উৎপাদিত ফসলের অর্ধ উশর ২০ ভাগের একভাগ জাকাত দান স্বরুপ নিঃশর্ত প্রদান করা।

পবিত্র মহা গ্রন্থ অাল-কোরঅানুল কারিমে বর্ণিত সূরা( অাত তাওবা-৬০) নং অায়াতে জাকাতের খাত সমূহ বলা হয়,প্রথমত ফকির(যার কিছুই নেই)এবং মিসকিন(যার সামান্য কিছু অাছে তবে নিসাব পরিমাণ নাই)এছাড়াও (জাকাত অাদায়ের নিযুক্ত কর্মচারী)তাছাড়া,ইসলামের প্রতি অার্কৃষ্ট (অমুসলিম)এবং (দাস মুক্তি)অবং ইসলামের পথে (অাল্লাহর রাস্তায় জিহাদকারী)ও (ঝণ মুক্তির) এবং ইসলামে সামাজিক দৃষ্টিতে মুসাফির।

জাকাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হওয়ায় এটি অাদায়ের অশেষ সওয়াবের কথা ঘষিত হয়েছে,ঠিক তদ্রূপ অাদায় না করলে ভয়াবহ পরিণতর কথাও বিধৃত হয়েছে।এবং জাকাত ইসলামে সমাজের দৃষ্টিতে অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় বৈষম্য বিরাজমান অবস্থায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে গরীর দুঃখি অসহায় মানুষ তীব্র ক্ষুধার কঠোর জ্বালা নিবারণে নিম্নজিত থেকে পুনরুদ্ধার করে জাকাত প্রদানে বিত্তশালীরা গরীবদের মাঝে অর্থনৈতিক কুন্ঠস্বর ক্ষেত্র অনেকটাই সমাজে প্রশান্তি ফিরে তাদের প্রতি অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে।

ইসলামের দৃষ্টিতে জাকাত গরীবদের হক সম্পর্কে বর্ণনায় বুধা যায় ইসলামী দর্শন অনুযায়ী পৃথিবীর সমুদয় সম্পত্তির মালিক অাল্লাহ।অার তাই অাল্লাহ মানুষকে সুনির্দিষ্ট পন্থায় ভোগাধিকার করে প্রদান করেছে এবং এ সম্পত্তির উপর সকল উপার্জনে অক্ষম ব্যক্তির অধিকার বলে অালোচিত হয়েছে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: