ঢাকা মঙ্গলবার, ৯ই মার্চ ২০২১, ২৫শে ফাল্গুন ১৪২৭


ভোলাহাট প্রতিবন্ধী স্কুলের পাশে প্রেট্রোল পাম্প স্থাপন হলে ব্যাহত হবে শিক্ষা কার্যক্রম!


প্রকাশিত:
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৫:৫৫

আপডেট:
৯ মার্চ ২০২১ ০১:৩২

নিউজ ডেস্কঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ভোলাহাট উপজেলার কলেজ মোড়ে অবস্থিত ভোলাহাট প্রতিবন্ধী স্কুলটি স্থাপিত হয় ২০০৯ সালে। এটি ভোলাহাটের একমাত্র প্রতিবন্ধী স্কুল। তার পাশে জমির একই দাগে প্রেট্রোল পাম্প স্থাপনের জন্য গোমস্তাপুর উপজেলার কাশিমপুর গ্রামের মৃত. আলহাজ্ব আব্দুল হামিদের ছেলে সাবেক চেয়ারম্যান আসরাফ হোসেন আলিম নামের এক ব্যক্তি স্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

যদি পাম্পটি সেখানে স্থাপন করা হয় তাহলে পাঠদানসহ সকল শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হবে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এলাকাবাসীর দাবি প্রতিবন্ধী স্কুলের পাশে পাম্প স্থাপন করাটা ভুল হবে। পাম্প এমন একটি জিনিস যে কোন সময় বিস্ফোরণ ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়াও রয়েছে নানা সমস্যা। যদি পাম্পটি হয় তাহলে স্কুলটি সবসময় বিপদের মুখে অবস্থান করবে।

এ ব্যাপারে স্কুলের প্রধান শিক্ষক দিলারা খাতুনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে সহকারী শিক্ষক মো. আব্দুর রাকিবের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, প্রেট্রোল পাম্প একটা বিপদজনক এরিয়া যেহেতু প্রতিবন্ধী বাচ্চাদেরকে এখানে পাঠাদান দেয়া হয় সেহেতু প্রতিবন্ধি বিদ্যালয়ের পাশে প্রেট্রোল পাম্প স্থাপন না করায় ভালো।

এ ব্যাপারে গোহালবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের
চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কাদেরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, যেহেতু স্কুলে প্রতিবন্ধীরা লেখা-পড়া করে সেহেতু পাম্পটা না হওয়ায় কাম্য। স্কুল থেকে দুরে বা অন্য খানে হলেই ভালো হয়।

পাম্প স্থাপনকারী আসরাফুল ইসলামের গোমস্তাপুর রহনপুরের আসরাফ চেয়ারম্যানের যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, পাম্প কোথায় স্থাপন করা হবে কতটুকু দুরুত্বে করা এটা সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলতে পারবেন। নিয়ম মতই সব করা হবে।

এ দিকে ভোলাহাট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জানায়, প্রতিবন্ধী স্কুলের পাম্প স্থাপন করাটা ঠিক হবেনা। ভোলাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মশিউর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, স্কল ও পাম্প একই দাগে এটা জানা ছিল না।

তবে পরে সরজমিনে দেখবো তারপর এ বিষয়ে বলতে পারবো। উপজেলা চেয়ারম্যান প্রভাষক রাব্বুল হোসেন বলেন, প্রতিবন্ধি স্কুলের পাশে এ ধরনের পাম্প কোনভাবেই করা যাবেনা, অবশ্যই তা পাঠদানে ব্যহত হবে। এটি স্কুল থেকে দুরুত্বে হতে হবে।

বিষয়টিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন স্থানীয়রা। কোমলমতি প্রতিবন্ধীদের কথা বিবেচনা করে এ বিষয়ে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসীসহ সমাজের সূধী মহল।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: